Dhaka 10:46 pm, Friday, 4 April 2025

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর তীর সংরক্ষণের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:52:33 pm, Monday, 10 February 2025
  • 62 Time View

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ

 

কুশিয়ারা নদীর ভয়াহবহ ভাঙ্গন থেকে বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদ ও বসতবাড়ী সংরক্ষণের দাবীতে জগন্নাথপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, গঙ্গা নগর, মধীপুর গ্রামের বসতবাড়ি, বেড়ীবাঁধ, সড়ক, কবরস্থান ও খেলার মাঠ রক্ষায় এলাকাবাসীর আয়োজনে ১০ ই ফেব্রুয়ারি রোজ সোমবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় জালালপুর-খানপুর কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবক হাজী ফারুক আহমেদ, জালালপুর ক্বাসিমুল উলুম মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা বাহা উদ্দিন, মাওলানা বেলাল আহমদ, তমিজ উদ্দিন, রফান উদ্দিন, শাকিল হাসান রনি প্রমুখ। অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থী সহ সহস্রাধিক জনসাধারণ অংশ গ্রহন করেন। এবং জালালপুর, খানপুর, গঙ্গা নগর, মধীপুর গ্রামবাসী সহ জালালপুর ক্বাসিমুল উলুম মাদরাসা, আল-ইখওয়ান ইসলামি সমাজকল্যাণ সংস্থা, স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ও পাইলগাঁও ইউনিয়ন ডেভলপমেন্ট ট্রাষ্ট ইউকে এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, টানা কয়েক দশক ধরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বৃহত্তর জালালপুর, গঙ্গা নগর ও মধীপুর গ্রামের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ মাদরাসা কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে, বর্তমানে প্রাচীন গ্রাম খানপুর কুশিয়ারা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। বর্তমানে জালালপুর গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র সরকারি পাকা সড়ক, কবরস্থান, খেলার মাঠ থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরত্বে কুশিয়ারা নদীর অবস্থান। যেকোন সময় কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে সড়কটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বক্তারা আরও বলেন, আমাদের চারটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে, অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে, আমাদের এলাকা ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে আসেনি। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে নদীর তীর সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কিশোরগঞ্জে বিভিন্ন কোম্পানির প্রলোভনে দিনে দিনে বেড়েই চলেছে তামাক চাষ

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর তীর সংরক্ষণের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Update Time : 02:52:33 pm, Monday, 10 February 2025

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ

 

কুশিয়ারা নদীর ভয়াহবহ ভাঙ্গন থেকে বিভিন্ন গ্রামীণ জনপদ ও বসতবাড়ী সংরক্ষণের দাবীতে জগন্নাথপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, গঙ্গা নগর, মধীপুর গ্রামের বসতবাড়ি, বেড়ীবাঁধ, সড়ক, কবরস্থান ও খেলার মাঠ রক্ষায় এলাকাবাসীর আয়োজনে ১০ ই ফেব্রুয়ারি রোজ সোমবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় জালালপুর-খানপুর কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবক হাজী ফারুক আহমেদ, জালালপুর ক্বাসিমুল উলুম মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা বাহা উদ্দিন, মাওলানা বেলাল আহমদ, তমিজ উদ্দিন, রফান উদ্দিন, শাকিল হাসান রনি প্রমুখ। অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থী সহ সহস্রাধিক জনসাধারণ অংশ গ্রহন করেন। এবং জালালপুর, খানপুর, গঙ্গা নগর, মধীপুর গ্রামবাসী সহ জালালপুর ক্বাসিমুল উলুম মাদরাসা, আল-ইখওয়ান ইসলামি সমাজকল্যাণ সংস্থা, স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ও পাইলগাঁও ইউনিয়ন ডেভলপমেন্ট ট্রাষ্ট ইউকে এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, টানা কয়েক দশক ধরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বৃহত্তর জালালপুর, গঙ্গা নগর ও মধীপুর গ্রামের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ মাদরাসা কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে, বর্তমানে প্রাচীন গ্রাম খানপুর কুশিয়ারা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। বর্তমানে জালালপুর গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র সরকারি পাকা সড়ক, কবরস্থান, খেলার মাঠ থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরত্বে কুশিয়ারা নদীর অবস্থান। যেকোন সময় কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে সড়কটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বক্তারা আরও বলেন, আমাদের চারটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে, অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে, আমাদের এলাকা ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে আসেনি। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে নদীর তীর সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।